১৩৩২

পরিচ্ছেদঃ ৪০. সালাতুত্ তাসবীহ

১৩৩২-[৫] আবূ উমামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বান্দার কোন ’আমলের প্রতি তাঁর করুণার সঙ্গে এত বেশী লক্ষ্য করেন না, যতটা তার পড়া দু’ রাক্’আত সালাতের প্রতি করেন। বান্দা যতক্ষণ সালাতে লিপ্ত থাকে তার মাথার উপর নেক ও কল্যাণ ছড়িয়ে দেয়া হয়। আর বান্দা আল্লাহর নৈকট্য লাভের সম্পর্কে যেভাবে তার থেকে বের হয়ে আসা হিদায়াতের উৎস অর্থাৎ আল-কুরআন হতে উপকৃত হয়, আর কোন জিনিস হতে এমন উপকৃত হয় না। (আহমাদ, তিরমিযী)[1]

بَابُ صَلَاةِ التَّسْبِيْحِ

وَعَنْ أَبِي أُمَامَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا أَذِنَ اللَّهُ لَعَبْدٍ فِي شَيْءٍ أَفْضَلَ مِنَ الرَّكْعَتَيْنِ يُصَلِّيهِمَا وَإِنَّ الْبِرَّ لَيُذَرُّ عَلَى رَأْسِ الْعَبْدِ مَا دَامَ فِي صَلَاتِهِ وَمَا تَقَرَّبَ الْعِبَادُ إِلَى اللَّهِ بِمِثْلِ مَا خَرَجَ مِنْهُ» يَعْنِي الْقُرْآنَ. رَوَاهُ أَحْمد وَالتِّرْمِذِيّ

ব্যাখ্যা: (مَا أَذِنَ اللّهُ) এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর পক্ষ হতে রহমাত ও দয়া বান্দার ওপর গ্রহণ করা, আর বান্দা যখন সালাতে মশগুল হয় এবং যাবতীয় দুনিয়াবী ব্যস্ততা থেকে মুক্ত হয়ে মাওলার দিকে একনিষ্ঠতার সাথে মনোনিবেশ করে অন্তর ও জবানে তার জন্য ধ্যানে মগ্ন হয়, আল্লাহ তা‘আলা দয়া ও ইহসানের মাধ্যমে পরিপূর্ণভাবে গ্রহণ করেন, তাছাড়া অন্য ‘ইবাদাত গ্রহণ করে না।

আর সালাতে কুরআনের বাণী, তাসবীহ ও তাকবীর থাকায় তা একটি সমষ্টিগত কর্ম। ‘ইবাদাতগুলোর মধ্য হতে এমন কোন ‘ইবাদাত নেই যা দু’ রাক্‘আত সালাতের চেয়েও উত্তম।

[মুসনাদে আহমাদ, জামি‘ আত তিরমিযী, সুয়ূতী (রহঃ)-এর জামিউস্ সগীর, মুনযির (রহঃ)-এর আত্ তারগীব]

উত্তম ‘ইবাদাত হলো সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) যেমন সহীহ হাদীসে রয়েছে, ‘আল্লাহ তা‘আলা তার নৈকট্য হাসিলের জন্য বান্দার জন্য যা দিয়েছেন সালাত তার মধ্য উত্তম।’


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ