বুকায়র ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে টি

পরিচ্ছেদঃ ২২৩৩. আবদুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধি দল

৪০৩১। ইয়াহ্ইয়া ইবনু সুলায়মান ও বকর ইবনু মুদার (রহঃ) ... বুকাইর (রাঃ) থেকে বর্নিত, (তিনি বলেন), ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর আযাদকৃত গোলাম কু্রাইব (রহঃ) তাকে বর্ননা করেছেন, ইবনু আব্বাস, আবদুর রহমান ইবনু আযহার এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রহঃ) (এ তিনজনে) আমাকে আয়িশা (রাঃ) এর কাছে পাঠিয়ে বললেন, তাঁকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে সালাম জানাবে। এবং তাঁকে আসরের পরের দু’রাকাত সালাত (নামায/নামাজ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে। কারন আমরা অবহিত হয়েছি যে, আপনি নাকি এই দু’রাকাত সালাত আদায় করেন অথচ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু’রাকাত সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন- এ হাদীসও আমাদের কাছে পৌঁছেছে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমি উমর (রাঃ) সহ এ দু’রাকাত সালাত আদায়কারী লোকদেরকে প্রহার করতাম।

কুরায়ব (রহঃ) বলেন, আমি তাঁর [আয়িশা (রাঃ)] কাছে গেলাম এবং আমাকে যে ব্যাপারে পাঠিয়েছেন তা জানালাম। তিনি বললেন, বিষয়টি উম্মে সালমা (রাঃ) এর কাছে জিজ্ঞাসা কর। এরপর আমি তাঁদেরকে [আয়িশা (রাঃ) এর জবাবের কথা] জানালে তাঁরা আবার আমাকে উম্মে সালমা (রাঃ) এর কাছে পাঠালেন এবং আয়িশা (রাঃ) এর কাছে যা বলতে বলেছিলেন সেসব কথা তাঁর কাছেও গিয়ে বলতে বললেন।

তখন উম্মে সালমা (রাঃ) বললেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি যে, তিনি দু’রাকাত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করা থেকে নিষেধ করেছেন। কিন্তু একদিন তিনি আসরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে আমার ঘরে প্রবেশ করলেন। এ সময় আমার কাছে ছিল আনসারদের বনী হারাম গোত্রের কতিপয় মহিলা। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’রাকাত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলেন। আমি তা দেখে খাদীমা কে পাঠিয়ে বললাম, তুমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পাশে গিয়ে দাঁড়াবে এবং বলবে, ’’উম্মে সালমা (রাঃ) আপনাকে এ কথা বলেছেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কি আপনাকে এ দু’রাকাত আদায় করা থেকে নিষেধ করতে শুনিনি? অথচ দেখতে পাচ্ছি, আপনি সেই দু’রাকাত আদায় করছেন।এরপর যদি তিনি হাত দিয়ে ইশারা করেন তাহলে পিছনে সরে যাবে।

খাদীমা গিয়ে (সেভাবে কথাটি) বলল। তিনি হাত দিয়ে ইশারা করলেন। খাদীমা পেছনের দিকে সরে গেল। এরপর সালাত (নামায/নামাজ) সেরে তিনি বললেন, হে আবূ উমাইয়ার কন্যা! (উম্মে সালমা) তুমি আমাকে আসরের পরের দু’রাকাত সালাত (নামায/নামাজ)-এর কথা জিজ্ঞাসা করছ। আসলে আজ আবদুল কায়স গোত্র থেকে তাদের কয়েকজন লোক আমার কাছে ইসলাম গ্রহন করতে এসেছিল। তাঁরা আমাকে ব্যাস্ত রাখার কারনে যুহরের পরের দু’রাকাত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করার সুযোগ আমার হয়নি। আর সেই দু’রাকাত হল এ দু’রাকাত সালাত (নামায/নামাজ)।

باب وَفْدُ عَبْدِ الْقَيْسِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنِي ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو،‏.‏ وَقَالَ بَكْرُ بْنُ مُضَرَ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ بُكَيْرٍ، أَنَّ كُرَيْبًا، مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ حَدَّثَهُ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ وَعَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَزْهَرَ وَالْمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَةَ أَرْسَلُوا إِلَى عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ فَقَالُوا اقْرَأْ عَلَيْهَا السَّلاَمَ مِنَّا جَمِيعًا، وَسَلْهَا عَنِ الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ، وَإِنَّا أُخْبِرْنَا أَنَّكِ تُصَلِّيهَا، وَقَدْ بَلَغَنَا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْهَا، قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ وَكُنْتُ أَضْرِبُ مَعَ عُمَرَ النَّاسَ عَنْهُمَا‏.‏ قَالَ كُرَيْبٌ فَدَخَلْتُ عَلَيْهَا، وَبَلَّغْتُهَا مَا أَرْسَلُونِي، فَقَالَتْ سَلْ أُمَّ سَلَمَةَ‏.‏ فَأَخْبَرْتُهُمْ، فَرَدُّونِي إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ بِمِثْلِ مَا أَرْسَلُونِي إِلَى عَائِشَةَ، فَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَنْهَى عَنْهُمَا، وَإِنَّهُ صَلَّى الْعَصْرَ ثُمَّ دَخَلَ عَلَىَّ وَعِنْدِي نِسْوَةٌ مِنْ بَنِي حَرَامٍ مِنَ الأَنْصَارِ، فَصَلاَّهُمَا، فَأَرْسَلْتُ إِلَيْهِ الْخَادِمَ فَقُلْتُ قُومِي إِلَى جَنْبِهِ فَقُولِي تَقُولُ أُمُّ سَلَمَةَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَمْ أَسْمَعْكَ تَنْهَى عَنْ هَاتَيْنِ الرَّكْعَتَيْنِ فَأَرَاكَ تُصَلِّيهِمَا‏.‏ فَإِنْ أَشَارَ بِيَدِهِ فَاسْتَأْخِرِي‏.‏ فَفَعَلَتِ الْجَارِيَةُ، فَأَشَارَ بِيَدِهِ، فَاسْتَأْخَرَتْ عَنْهُ، فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ ‏ "‏ يَا بِنْتَ أَبِي أُمَيَّةَ، سَأَلْتِ عَنِ الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ، إِنَّهُ أَتَانِي أُنَاسٌ مِنْ عَبْدِ الْقَيْسِ بِالإِسْلاَمِ مِنْ قَوْمِهِمْ، فَشَغَلُونِي عَنِ الرَّكْعَتَيْنِ اللَّتَيْنِ بَعْدَ الظُّهْرِ، فَهُمَا هَاتَانِ ‏"‏‏.‏


Narrated Bukair: That Kuraib, the freed slave of Ibn `Abbas told him that Ibn `Abbas, `Abdur-Rahman bin Azhar and Al-Miswar bin Makhrama sent him to `Aisha saying, "Pay her our greetings and ask her about our offering of the two-rak`at after `Asr Prayer, and tell her that we have been informed that you offer these two rak`at while we have heard that the Prophet (ﷺ) had forbidden their offering." Ibn `Abbas said, "I and `Umar used to beat the people for their offering them." Kuraib added, "I entered upon her and delivered their message to her.' She said, 'Ask Um Salama.' So, I informed them (of `Aisha's answer) and they sent me to Um Salama for the same purpose as they sent me to `Aisha. Um Salama replied, 'I heard the Prophet (ﷺ) forbidding the offering of these two rak`at. Once the Prophet (ﷺ) offered the `Asr prayer, and then came to me. And at that time some Ansari women from the Tribe of Banu Haram were with me. Then (the Prophet (ﷺ) ) offered those two rak`at, and I sent my (lady) servant to him, saying, 'Stand beside him and say (to him): Um Salama says, 'O Allah's Messenger (ﷺ)! Didn't I hear you forbidding the offering of these two rak`at (after the `Asr prayer yet I see you offering them?' And if he beckons to you with his hand, then wait behind.' So the lady slave did that and the Prophet (ﷺ) beckoned her with his hand, and she stayed behind, and when the Prophet (ﷺ) finished his prayer, he said, 'O the daughter of Abu Umaiya (i.e. Um Salama), You were asking me about these two rak`at after the `Asr prayer. In fact, some people from the tribe of `Abdul Qais came to me to embrace Islam and busied me so much that I did not offer the two rak`at which were offered after Zuhr compulsory prayer, and these two rak`at (you have seen me offering) make up for those."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ বুকায়র ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৩৯/ বদ্ধ পানিতে নাপাক লোকের গোসল না করা

২২১। সুলায়মান ইবনু দা’ঊদ ও হারিস ইবনু মিসকীন (রহঃ) ... বুকায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। আবূ সায়িব তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন জানাবাত অবস্থায় বদ্ধ পানিতে গোসল না করে।*

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، وَالْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - عَنِ ابْنِ وَهْبٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ بُكَيْرٍ، أَنَّ أَبَا السَّائِبِ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ يَغْتَسِلْ أَحَدُكُمْ فِي الْمَاءِ الدَّائِمِ وَهُوَ جُنُبٌ ‏"‏ ‏


Abu Hurairah said: "The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'None of you should perform Ghusl in standing water when he is Junub.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ বুকায়র ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২১১. মুযদালিফায় যে ব্যক্তি ফজরের সালাত ইমামের সঙ্গে আদায় করতে পারেনি

৩০৪৭. আমর ইবন আলী (রহঃ) ... বুকায়র ইবন আতা (রহঃ) বলেন, আমি আবদুর রহমান ইবন ইয়া’মার দারলামী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ আমি আরাফায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি, তার কাছে নাজদ হতে কতিপয় লোক এসে তাদের একজনকে তারা প্রতিনিধি নিযুক্ত করে, সে তাকে হজ্জ সম্বন্ধে প্রশ্ন করলে, তিনি বলেনঃ হজ্জ হলো আরাফায় অবস্থান। যে ব্যক্তি মুযদালিফার রাতে ভোরের সালাতের পূর্বে সেখানে আগমন করলো, সে তার হজ্জ পেল। মিনার তিন দিন, যে ব্যক্তি দুই দিন পর তাড়াতাড়ি চলে যায়, তার কোন পাপ নেই। আর যে ব্যক্তি দেরী করে তার কোন পাপ নেই। তারপর তিনি একজন লোককে তার পশ্চাতে আরোহণ করান, যিনি এ কথাগুলি লোকের মধ্যে প্রচার করছিলেন।

فِيمَنْ لَمْ يُدْرِكْ صَلَاةَ الصُّبْحِ مَعَ الْإِمَامِ بِالْمُزْدَلِفَةِ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ حَدَّثَنِي بُكَيْرُ بْنُ عَطَاءٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ يَعْمَرَ الدِّيلِيَّ قَالَ شَهِدْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِعَرَفَةَ وَأَتَاهُ نَاسٌ مِنْ نَجْدٍ فَأَمَرُوا رَجُلًا فَسَأَلَهُ عَنْ الْحَجِّ فَقَالَ الْحَجُّ عَرَفَةُ مَنْ جَاءَ لَيْلَةَ جَمْعٍ قَبْلَ صَلَاةِ الصُّبْحِ فَقَدْ أَدْرَكَ حَجَّهُ أَيَّامُ مِنًى ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ مَنْ تَعَجَّلَ فِي يَوْمَيْنِ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ وَمَنْ تَأَخَّرَ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ ثُمَّ أَرْدَفَ رَجُلًا فَجَعَلَ يُنَادِي بِهَا فِي النَّاسِ


Abdur Rahman bin Yamur Ad-Daili said: "I saw the prophet in Arafat when some people from Najd coame to him. They told a man to ask him about Hajj. He said: "Hajj is Arafat. Whoever comes on the night of Jam (Al-Muzdalifah) before Subh prayer, then he has caought up with Hajj. And the days of Mina are three days. But whoever hastens to leave in two days, there is no sion on him, and whoever stays on, there is no sino on him.' Then he made a man ride behind him, and he started proclaiming it to the people."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ বুকায়র ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬৪/৭০. ‘আবদুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধি দল।

৪৩৭০. বুকায়র (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম কুরাইব (রহ.) তাকে বর্ণনা করেছেন যে, ইবনু ‘আব্বাস, আবদুর রহমান ইবনু আযহার এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) (এ তিনজনে) আমাকে ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে পাঠিয়ে বললেন, তাঁকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে সালাম জানাবে এবং তাঁকে আসরের পরের দু’রাক‘আত সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে। কারণ আমরা অবহিত হয়েছি যে, আপনি নাকি এই দু’রাক‘আত সালাত আদায় করেন অথচ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু’রাক‘আত সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন-এ হাদীসও আমাদের কাছে পৌঁছেছে। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমি ‘উমার (রাঃ)-এর উপস্থিতিতে এ দু’রাক‘আত সালাত আদায়কারী লোকদেরকে প্রহার করতাম। কুরায়ব (রহ.) বলেন, আমি তাঁর [‘আয়িশাহ (রাঃ)] কাছে গেলাম এবং তারা আমাকে যে ব্যাপারে পাঠিয়েছেন তা জানালাম। তিনি বললেন, বিষয়টি উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর কাছে জিজ্ঞেস কর। এরপর আমি তাঁদেরকে জানালে তাঁরা আবার আমাকে উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর কাছে পাঠালেন যেভাবে তারা আমাকে ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে পাঠিয়েছিলেন। তখন উম্মু সালামাহ (রাঃ) বললেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি, তিনি দু’রাক‘আত সালাত আদায় করা থেকে নিষেধ করেছেন। কিন্তু একদিন তিনি ‘আসরের সালাত আদায় করে আমার ঘরে প্রবেশ করলেন। এ সময় আমার কাছে ছিল আনসারদের বানী হারাম গোত্রের কতিপয় মহিলা। তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। আমি তখন পরিচারিকাকে পাঠিয়ে বললাম, তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পাশে গিয়ে দাঁড়াবে এবং বলবে, ‘‘ উম্মু সালামাহ (রাঃ) আপনাকে এ কথা বলছেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি আপনাকে এ দু’রাক‘আত আদায় করা থেকে নিষেধ করতে শুনিনি অথচ দেখতে পাচ্ছি আপনি সে দু’রাক‘আত আদায় করছেন?’’ এরপর যদি তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করেন তাহলে পিছনে সরে যাবে। পরিচারিকা গিয়ে সেভাবেই বলল। তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করলেন। পরিচারিকা পেছনের দিকে সরে গেল। সালাত সম্পাদন করে তিনি বললেন, হে আবূ উমাইয়াহর কন্যা! (উম্মু সালামাহ) তুমি আমাকে আসরের পরের দু’রাক‘আত সালাতের কথা জিজ্ঞেস করছ। আসলে আজ ‘আবদুল কায়স গোত্র থেকে তাদের কতিপয় লোক আমার কাছে ইসলাম গ্রহণ করতে এসেছিল। তাঁরা আমাকে ব্যস্ত রাখার কারণে যুহরের পরের দু’রাক‘আত সালাত আদায় করতে পারিনি। সেই দু’রাক‘আত হল এ দু’রাক‘আত সালাত। [১২৩৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪০২৮)

بَاب : وَفْدِ عَبْدِ الْقَيْسِ

يَحْيَى بْنُ سُلَيْمَانَ حَدَّثَنِي ابْنُ وَهْبٍ أَخْبَرَنِيْ عَمْرٌو وَقَالَ بَكْرُ بْنُ مُضَرَ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ عَنْ بُكَيْرٍ أَنَّ كُرَيْبًا مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ حَدَّثَهُ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ وَعَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَزْهَرَ وَالْمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَةَ أَرْسَلُوْا إِلَى عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا فَقَالُوا اقْرَأْ عَلَيْهَا السَّلَامَ مِنَّا جَمِيْعًا وَسَلْهَا عَنْ الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ وَإِنَّا أُخْبِرْنَا أَنَّكِ تُصَلِّيْهَا وَقَدْ بَلَغَنَا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْهَا قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ وَكُنْتُ أَضْرِبُ مَعَ عُمَرَ النَّاسَ عَنْهُمَا قَالَ كُرَيْبٌ فَدَخَلْتُ عَلَيْهَا وَبَلَّغْتُهَا مَا أَرْسَلُوْنِيْ فَقَالَتْ سَلْ أُمَّ سَلَمَةَ فَأَخْبَرْتُهُمْ فَرَدُّوْنِيْ إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ بِمِثْلِ مَا أَرْسَلُوْنِيْ إِلَى عَائِشَةَ فَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَنْهَى عَنْهُمَا وَإِنَّهُ صَلَّى الْعَصْرَ ثُمَّ دَخَلَ عَلَيَّ وَعِنْدِيْ نِسْوَةٌ مِنْ بَنِيْ حَرَامٍ مِنَ الْأَنْصَارِ فَصَلَّاهُمَا فَأَرْسَلْتُ إِلَيْهِ الْخَادِمَ فَقُلْتُ قُوْمِيْ إِلَى جَنْبِهِ فَقُوْلِيْ تَقُوْلُ أُمُّ سَلَمَةَ يَا رَسُوْلَ اللهِ أَلَمْ أَسْمَعْكَ تَنْهَى عَنْ هَاتَيْنِ الرَّكْعَتَيْنِ فَأَرَاكَ تُصَلِّيْهِمَا فَإِنْ أَشَارَ بِيَدِهِ فَاسْتَأْخِرِيْ فَفَعَلَتْ الْجَارِيَةُ فَأَشَارَ بِيَدِهِ فَاسْتَأْخَرَتْ عَنْهُ فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ يَا بِنْتَ أَبِيْ أُمَيَّةَ سَأَلْتِ عَنْ الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ إِنَّهُ أَتَانِيْ أُنَاسٌ مِنْ عَبْدِ الْقَيْسِ بِالإِسْلَامِ مِنْ قَوْمِهِمْ فَشَغَلُوْنِيْ عَنْ الرَّكْعَتَيْنِ اللَّتَيْنِ بَعْدَ الظُّهْرِ فَهُمَا هَاتَانِ.


Narrated Bukair: That Kuraib, the freed slave of Ibn `Abbas told him that Ibn `Abbas, `Abdur-Rahman bin Azhar and Al-Miswar bin Makhrama sent him to `Aisha saying, "Pay her our greetings and ask her about our offering of the two-rak`at after `Asr Prayer, and tell her that we have been informed that you offer these two rak`at while we have heard that the Prophet (ﷺ) had forbidden their offering." Ibn `Abbas said, "I and `Umar used to beat the people for their offering them." Kuraib added, "I entered upon her and delivered their message to her.' She said, 'Ask Um Salama.' So, I informed them (of `Aisha's answer) and they sent me to Um Salama for the same purpose as they sent me to `Aisha. Um Salama replied, 'I heard the Prophet (ﷺ) forbidding the offering of these two rak`at. Once the Prophet (ﷺ) offered the `Asr prayer, and then came to me. And at that time some Ansari women from the Tribe of Banu Haram were with me. Then (the Prophet (ﷺ) ) offered those two rak`at, and I sent my (lady) servant to him, saying, 'Stand beside him and say (to him): Um Salama says, 'O Allah's Messenger (ﷺ)! Didn't I hear you forbidding the offering of these two rak`at (after the `Asr prayer yet I see you offering them?' And if he beckons to you with his hand, then wait behind.' So the lady slave did that and the Prophet (ﷺ) beckoned her with his hand, and she stayed behind, and when the Prophet (ﷺ) finished his prayer, he said, 'O the daughter of Abu Umaiya (i.e. Um Salama), You were asking me about these two rak`at after the `Asr prayer. In fact, some people from the tribe of `Abdul Qais came to me to embrace Islam and busied me so much that I did not offer the two rak`at which were offered after Zuhr compulsory prayer, and these two rak`at (you have seen me offering) make up for those."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ বুকায়র ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৫. জারয (যিনার) সন্তানের মীরাছ

৩১৪৪. বুকাইর হতে বর্ণিত, সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) বলেন, যেকোন লোক কোন বালকের নিকট এসে তাকে তার নিজের সন্তান বলে ধারণা করে, কেননা, সে এর মায়ের সাথে যিনা করেছিল; এবং এ বালককে অপর কেউ তার নিজের সন্তান বলে দাবীও না করে, তবে এ ছেলে সেই লোকের ওয়ারিস হবে।

বুকাইর বলেন, আমি এ ব্যাপারে উরওয়া (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তখন তিনিও সুলাইমান ইবনু ইয়াসার-এর অনুরূপ কথা বলেন।আর উরওয়া বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “সন্তান বিছানার মালিকের, আর যেনাকারীর জন্য রয়েছে পাথর।”[1]

باب فِي مِيرَاثِ وَلَدِ الزِّنَا

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي بَكْرُ بْنُ مُضَرَ عَنْ عَمْرٍو يَعْنِي ابْنَ الْحَارِثِ عَنْ بُكَيْرٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ قَالَ أَيُّمَا رَجُلٍ أَتَى إِلَى غُلَامٍ يَزْعُمُ أَنَّهُ ابْنٌ لَهُ وَأَنَّهُ زَنَى بِأُمِّهِ وَلَمْ يَدَّعِ ذَلِكَ الْغُلَامَ أَحَدٌ فَهُوَ يَرِثُهُ قَالَ بُكَيْرٌ وَسَأَلْتُ عُرْوَةَ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ مِثْلَ قَوْلِ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ وَقَالَ عُرْوَةُ بَلَغَنَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْوَلَدُ لِلْفِرَاشِ وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
বর্ণনাকারীঃ বুকায়র ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৫ পর্যন্ত, সর্বমোট ৫ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে